//azoaltou.com/afu.php?zoneid=3651748 //azoaltou.com/afu.php?zoneid=3683887
top of page
Search

বিষয় চলচ্চিত্র : সত্যজিতের মর্জি মহল থেকে বিশ্ব-চলচ্চিত্রের দিকে যাত্রা - সুমন দে

  • May 9, 2021
  • 5 min read


“He aims to capture both what is unique in the Indian experience and that which is universal.”

-Audrey Hepburn

ভারতবর্ষে কোন দ্রব্য বিক্রি হতে যতটা সময় লাগে, আবেগ বিক্রি হতে তার সিকিভাগও সময় লাগে না। আবেগ-তাড়িত ভারতীয়দের চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে ঘরের শোকেসে রাখা কোনো সৌখীন শখের পিছনে সেই আবেগ কাজ করে। বিংশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে সিনেমার আকস্মিক আবির্ভাব প্রমান করলো যে এই আবেগের কোন নির্দিষ্ট সীমারেখা হয় না। এই প্রসঙ্গে একটি ঘটনার উল্লেখ করে মূল আলোচনায় প্রবেশ করছি।

বোম্বাইয়ের রাস্তায় এক খেলনা বিক্রেতা জোরে জোরে হাঁক দিচ্ছিল "নিয়ে যান,নিয়ে যান ফালকে খেলনা!" সেই সময় ভারতীয় সিনেমার জনক দাদাসাহেব ফালকে তাঁর নামে তৈরি খেলনা দেখে আগ্রহভরে সেই বিক্রেতার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "এর নাম ফালকে খেলনা কেন?" বলাবাহুল্য সেই সময়ে দাদাসাহেব সবেমাত্র ইংল্যান্ড থেকে ফিরেছেন। তিনি ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন তাঁর তৃতীয় সিনেমা 'সাবিত্রী সত্যবান'-এর screening-এর জন্য। এবং সেই থিয়েটারেই দুজন ইংলিশ চলচ্চিত্র-প্রযোজক তাঁকে ইংল্যান্ডে থেকে সিনেমা তৈরি করার প্রস্তাব দেন। বদলে তাঁকে দেওয়া হবে মোটা অংকের মূল্য এবং ইংল্যান্ডের নাগরিকত্ব। তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। যাইহোক, ফালকের সেই প্রশ্নে বিক্রেতাটি বলে, "এই খেলনাটি স্থির নয়, চলমান যেমন ফালকে আমাদের চলমান ছবির সঙ্গে আলাপ করিয়েছেন"। -ভারতীয় সিনেমার উজ্জ্বল ভবিষ্যত এবং তার আশেপাশে গজিয়ে ওঠা আবেগের মস্ত বড় পাহাড় সম্পর্কে একটা আভাস মেলে এই ছোট্ট ঘটনাটির দ্বারা।


বাংলাদেশের থিয়েটার রসিকদের কাছে এই আবেগের জায়গাটি এত সহজে তৈরি হয়নি, যতদিন থিয়েটারের ভাষা থেকে সিনেমার ভাষা ও শিল্প রীতির স্বতন্ত্র মেরুকরণ করে সত্যজিৎ রায় বাঙালির শিল্পবোধের কেন্দ্রবিন্দুতে উপস্থিত হলেন। ব্রিকবেক কলেজের অধ্যাপক এবং সত্যজিৎ-গবেষক চন্দ্ক সেনগুপ্ত সত্যজিতের জীবনী নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বুঝেছেন যে তাঁর শিল্পবোধের বৈচিত্র এমনকি তাঁর সিনেমার গভীরে প্রবেশ করার জন্য সত্যজিতের আর্থসামাজিক, ঐতিহাসিক, এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে জানা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সেক্ষেত্রে তাঁর ‘বিষয় চলচ্চিত্র’ প্রবন্ধ-সংকলনটি সত্যজিৎ-অনুগামী তথা সিনেমা-প্রিয় মানুষদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ-স্বরূপ। যেখানে আমরা তাঁর চলচ্চিত্র অভিজ্ঞতা, সেই অভিজ্ঞতা-জাত খুঁটিনাটি যান্ত্রিক ও শিল্পগত দিক, চলচ্চিত্রের ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ এবং সর্বোপরি তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কীভাবে সার্বজনীন হয়েছে এবং দেশ-কালের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্ববোধ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে তার হদিস পাই।


সিনেমা তৈরির পিছনে একদিকে যেমন কাজ করে শিল্পচেতনা আবার অন্যদিকে যন্ত্র ও অন্যান্য খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা। থিয়েটারের মত সিনেমায় দর্শক ও অভিনেতাদের সরাসরি যোগ স্থাপন হয় না, তাদের মাঝখানে এসে দাঁড়ায় বেশকিছু যান্ত্রিক ব্যাপার, তাই সত্যজিতের এই প্রবন্ধ সংকলনে এমনই কিছু প্রবন্ধের হদিশ পাই যা সিনেমার সেই যান্ত্রিক ব্যাকরণ ও তার বিবর্তনের কথা বলে।

'সিনেমার ভাষা : একাল সেকাল'(১৯৬৯) প্রবন্ধে সত্যজিৎ এই বিশেষ দিকটিকে বলেছেন প্রয়োজন মেটানোর দিক বা functional দিক, যা আর্টের অন্য পিঠে আঠার মত সেঁটে আর্টের দিকটিকে সমৃদ্ধ করে। উক্ত প্রবন্ধে তিনি সিনেমার ভাষা এবং সেই ভাষার বিবর্তনের কথাও বললেন, যেখানে লুমিয়ের, গ্রিফিথ ও পুদভকিনের মত বিশ্ববরেণ্য পরিচালকেরা ক্যামেরার ভাষা অর্থাৎ বিভিন্ন Angle ও কাহিনীর সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ চলচ্চিত্রায়নের মাধ্যমে দৃশ্যায়নের ভাষাকে নিরন্তর ঘষামাজা করেছেন আবার বাস্টার কীটন কিংবা চ্যাপলিনের মত অভিনেতারা স্বতন্ত্র অভিনয় রীতির মাধ্যমে অভিনয়ের ভাষা অর্থাৎ এক্সপ্রেশন, অভিব্যক্তি, সংলাপ বলার ভঙ্গি -প্রভৃতির মাধ্যমে নিরন্তর অভিনয়ের ভাষায় বৈচিত্র আনার চেষ্টা করেছেন। এই সমস্ত কিছুর সাহায্যেই একটা গোটা সিনেমা আকৃতি ও ভাষা দুইই পায়। functional দিকের পর আসে সিনেমার আর্টের দিক। এই প্রবন্ধ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত ‘বাংলা চলচ্চিত্রের আর্টের দিক’(১৯৬০) প্রবন্ধে ‘বাংলা সিনেমা’ কথাটির মধ্যে প্রাদেশিক রূপ থাকলেও ‘আর্ট’ কথাটির মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্বজনীন সিনেমা-শিল্পের হদিশ দিয়েছেন। চলচ্চিত্রের ব্যাকরণ বলে, সিনেমা একটা যৌথ শিল্প। ক্যামেরার পেছনের কারিগর ও শিল্পী এবং ক্যামেরার আগে থাকা শিল্পীদের যৌথ প্রচেষ্টার ফল-স্বরূপ। কিন্তু এর শিল্পৎকর্ষটি ঠিক কোথায়? ভালো গল্প মানেই কি ভালো সিনেমা? থিয়েটারে অভ্যস্ত বাঙ্গালীদের চলচ্চিত্র বিষয়টি বুঝতে এবং তার অর্থ গ্রহণ করতে এই সব দ্বিধায় পড়তে হয়েছিল। বর্তমানে বাঙালির চলচ্চিত্র ভান্ডারে একটা অস্কার আসার পর হয়তো সিনেমার ভালো-খারাপ বিচার করার ক্ষমতা ও সুযোগ বাঙালিরা পায় কিন্তু আজও কি এই দ্বন্দ্ব থেকে উত্তীর্ণ হতে পেরেছে বাঙালিরা? এই প্রশ্নটিই উস্কে দেয় সত্যজিতের এই প্রবন্ধটি।


এই প্রসঙ্গে উঠে আসে সমালোচকের কথা। বাংলা সিনেমার পতনের পরেও বাঙালিরা থিয়েটার থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি, তা শুরুর দিকের বাংলা সিনেমাগুলি দেখলে বুঝবো, তবে কি বাংলা সিনেমার দর্শক ও সমালোচক সিনেমার গুনাগুন বিচার করবে সেই থিয়েটার-সুলভ দৃষ্টি দিয়ে, নাকি এর জন্য একটি স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন? আবার সিনেমার ক্ষেত্রে সমালোচকের দায়িত্ববোধ কী হওয়া উচিত এ প্রসঙ্গেও সত্যজিৎ এমন একটি দামী কথা বললেন যা সিনেমা উপান্তে গজিয়ে ওঠা কয়েকটি সস্তা দরের সমালোচকদের শিক্ষণীয়। তিনি বলেছেন, পরিচালক যেহেতু দর্শকদের থেকে কয়েক ধাপ এগিয়ে সিনেমাটি তৈরি করেন, সেহেতু সমালোচকের দায়িত্ব পরিচালকের সঙ্গে পা মিলিয়ে তার মূলসূত্রটি দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া, এই দায়িত্ববোধগুলো সত্যজিৎ বেশ কয়েকবার বাংলা ও বিশ্ব সিনেমার সমালোচকদের কাছে তুলে ধরেছেন। কারণ তাঁর বেশ কিছু সিনেমা সমালোচকদের প্রশ্নবানে বিদ্ধ হয়েছে। তা ‘অপুর সংসার’-এ চিত্রনাট্য ও মূল উপন্যাসের মধ্যে মৃদু অমিল নিয়েই হোক কিংবা ‘চারুলতা’ ও রবীন্দ্রনাথের ‘নষ্টনীড়’ -এর মধ্যে অমিল নিয়ে ঘোরতর আক্রমণই হোক। এর উত্তরও তিনি দিয়েছেন যা এই প্রবন্ধ সংকলনেই আছে। সাহিত্যের বর্ণনামূলক রীতি ও চিত্রনাট্যের সংলাপ-ধর্মী রীতির যে সীমাবদ্ধতা ও খুঁটিনাটি -তা আমাদের আগে বুঝতে হবে। থিয়েটারে এর আগেও হয়তো বাঙালিরা উপন্যাসের নাট্যরূপান্তর দেখেছে কিন্তু সিনেমার চিত্রনাট্য সেখানে কোথায় আলাদা তা সত্যজিৎ বোঝালেন।


আমরা আগেই আলোচনা করেছি যে সিনেমার জন্ম-লগ্ন থেকে বর্তমান সময় অবধি যে বিবর্তন আমরা লক্ষ করি, তার পিছনে কাজ করে আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট। এই বিবর্তন সত্যজিতের প্রবন্ধেও ধরা পড়ে। বিশ্বচলচ্চিত্রের রূপরেখা তৈরি করা ও তাকে এক সুতোয় বাঁধা সহজ নয়। সত্যজিৎ এই বিষয়টি জানতেন তাই শুধুমাত্র সিনেমার ভাষা ও আঙ্গিকগত যেসব বিবর্তন গোড়ার দিক থেকে বর্তমান সময় অবধি লক্ষ করা যায় তাকেই কেবলমাত্র ধরার চেষ্টা করেছেন।


আমাদের মনে রাখতে হবে যে, কোন বৃহৎ ঐতিহাসিক গাধা রচনা করা সত্যজিতের উদ্দেশ্য ছিল না, বিবর্তনের আভাস দিয়ে তিনি চলচ্চিত্রের জন্ম লগ্ন থেকে বর্তমান সময় অবধি যাত্রাপথের landmark -গুলিকে চিহ্নিত করেছেন। যেমন এই সংকলনটির প্রথম প্রবন্ধে তিনি সিনেমার ভাষার বিবর্তনকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন, পরিচালকের ভাষা ও অভিনেতাদের ভাষা। যেমন আমেরিকায় Slapstick কমেডির দৃষ্টান্ত দিতে গিয়ে একদিকে তিনি বাস্টার কীটন ও চ্যাপলিনের অভিনয় রীতিকে সামনে নিয়ে এলেন এবং প্রথম দিকে এই ধরণের বিশেষ সংরূপকে ক্যামেরাবন্দি করার গুরুত্বপূর্ণ অ্যাঙ্গেলের আবির্ভাব ‘tracking shot’-এর উদ্ভবের হদিশও দিলেন। অন্য একটি প্রবন্ধে তিনি সোভিয়েত রাশিয়ার সিনেমার বিবর্তনের ইতিহাসকে ধরতে গিয়ে লেলিন-পূর্ববর্তী ও পরবর্তী যুগ –এই দুই ভাগে ভাগ করে সিনেমার মধ্যে যে মূল্যবোধগত পার্থক্য তৈরী হয়েছিল তা বলেছেন। জার শাসনে রাশিয়ান সিনেমার ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি ধীরে ধীরে কমিউনিস্ট শাসনে এসে পার্টির গাইডলাইনের আওতাভুক্ত হল - এই বিষয়টি রাশিয়ান চলচ্চিত্রের রুপরেখাকে আমাদের সামনে স্পষ্ট করে। বাংলা সিনেমা অবশ্য জন্মলগ্নে রাষ্ট্রের নয় বরং থিয়েটারের শাসনাধীনে ছিল। বাংলা সিনেমার প্রথম দিকের থিয়েটার-সুলভ অতিনাটকীয় সংলাপ পরিবেশন কিংবা মঞ্চসজ্জার ভঙ্গিতে শিল্পীদের অবস্থান - প্রভৃতি দেখলেই বোঝা যায়। চল্লিশের দশকে বিমল রায় কিংবা নির্মল দে’র হাত ধরে বাংলা সিনেমার পরিবর্তনের ফলে বাঙ্গালীদের সিনেমার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কীভাবেই বা পাল্টালো তারও হদিশ পাব।


এই প্রবন্ধ সংকলনটি যেন বিচিত্র স্বাদের সমাহার। একদিকে তিনি সিনেমার বিশ্ব-বোধ নিয়ে আলোচনা করেছেন, আবার অন্যদিকে ডাইরি-ধর্মী রচনার মত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাগুলিকেও তুলে ধরেছেন। ফরাসি দেশে বসে বিশ্ববরেণ্য পরিচালকের সঙ্গে আড্ডা থেকে শুরু করে বোড়াল গ্রামের সুবোধদার দাওয়ায় বসে আড্ডা দেওয়া - এইসব বিচিত্র অভিজ্ঞতাগুলিকে শব্দে ধরে রেখেছেন তিনি। সিনেমা তৈরির পিছনে তাঁকে যেসব পারিপার্শ্বিক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তা যেন আরো বেশি রোমাঞ্চকর। যেমন ইন্দির ঠাকরুন চরিত্রের খোঁজ করতে গিয়ে চুনিবালা দেবীর আবিষ্কার। সিনেমার শুরুতে সত্যজিৎ জনসমক্ষে বলেছিলেন এই চলচ্চিত্রে কোনরকম মেকআপ বা মেকী বিষয়ের ব্যবহার করা হবে না - এই প্রতিশ্রুতিই বাংলা চলচ্চিত্রে চুনিবালা দেবীর আবির্ভাব ঘটালো। তাঁর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কিংবা বোড়াল গ্রামের সুবোধদার সঙ্গে সিনেমার কোনো প্রত্যক্ষ সংযোগ না থাকা সত্ত্বেও যে হূদ্যতা গড়ে উঠেছিল তা কাজের অতিরিক্ত আনন্দ। আবার কাশীর রমনিরঞ্জনের বিচিত্র চরিত্র প্রত্যেক সিনেমা-প্রিয় কৌতুহলী মানুষকে রোমাঞ্চিত করে যারা সিনেমার পিছনের বিচিত্র কাহিনীগুলিকে জানার চেষ্টা করে রন্ধ্রে রোমাঞ্চ অনুভব করে। আমরা এই সংকলনে বিনোদদা অর্থাৎ বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ পাই, যিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের অধ্যাপক। দৃষ্টিশক্তি-রোহিত এই শিল্পীর অন্তরের শিল্প-দৃষ্টিকে সত্যজিৎ খুঁজেছিলেন।


সত্যই যেন শিল্পীর মর্জি মহল নিঃসৃত অভিজ্ঞতাগুলি কিভাবে বিশ্বজনীন রূপ লাভ করল তারই দৃষ্টান্ত এই প্রবন্ধ-সংকলনটি। গ্রন্থপাঠ মাত্রই পাঠকের কাছে তা একটি যাত্রার সমান। এই বইটিও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে এই যাত্রার সঙ্গে আরেকটি বিশেষ উপাদান যুক্ত হয়েছে যা বইটির প্রত্যেকটি পরতে অনুভব করেছি। আমরা জানি সত্যজিৎ রায় অসাধারণ চিএশিল্পী এবং ইলাস্ট্রেটর হিসেবে স্বতন্ত্র পরিচয় লাভ করেছিলেন। এই বইয়ের অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি প্রবন্ধ যেন সত্যজিতের ভাষার ইলাস্ট্রেশন, যা শিল্পীর চিত্রপট থেকে পাঠকের চিওপটে প্রবেশ করে সত্যজিতের স্বর্ণোজ্জ্বল সিনেমা তথা বিশ্ব চলচ্চিত্রের cinematic যাত্রাকে চোখের সামনে তুলে ধরে।





Make a Donation



A/C: 40910100004585



IFSC Code:BARB0BUDGEB



Bank Name: Bank Of Baroda



Name in Bank: BHAAN

 
 
 

Comments


Subscribe to Site

Thanks for submitting!

© 2020 Bhaan Theatre | Designed by Capturegraphics.in
bottom of page