//azoaltou.com/afu.php?zoneid=3651748 //azoaltou.com/afu.php?zoneid=3683887
top of page
Search

স্মরণের আবরণে মরণেরে যত্নে রাখি ঢাকি'-শর্মিষ্ঠা চ্যাটার্জ্জী

  • Mar 30, 2021
  • 5 min read

স্মরণের আবরণে মরণেরে যত্নে রাখি ঢাকি'

(যামিনী রায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ)



শর্মিষ্ঠা চ্যাটার্জ্জী


হৃদয়ে অস্থির পদচারণা রেখে যান যেসব গুণীজনেরা, তাঁরা কত সহজে বসতে পারেন মাটিতেই, কত সহজেই বলতে পারেন - 'শিল্পী নই গো, আমি হলেম পটুয়া!' মন থেকে কতখানি সরল, কতখানি উদার হতে পারলে একজন শিল্পী বিদেশের লোভনীয় আহ্বানকে ফিরিয়ে দিয়ে বলতে পারেন, "আমরা গরিব দেশের মানুষ, এত পয়সা খরচ করে ওদের দেশে যাব কেন? ওদের অনেক পয়সা, ওরা এসে আমাদেরটা দেখে যাক।" রঙের প্রাঞ্জলতায়, তুলির টানে, পেন্সিলের আঁচড়ে যিনি বঙ্গভূমির প্রাত্যহিক জীবনযাপন আর নিজস্বতার মেলবন্ধনে বাংলার চিত্রকলাকে দিয়ে গিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও ঋদ্ধি, সেই যামিনী রায়ের চিত্রকলার কথা উঠে এল আজ লেখার বিষয়-এ।



১৮৮৭ সালের ১১ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বেলিয়াতোড় গ্রামে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন যামিনী রায়। বাবা রামতারণ রায়। মায়ের নাম নগেন্দ্রবালা দেবী। কথায় বলে, প্রতিভাবানদের প্রতিভা শৈশব থেকেই অল্পে অল্পে প্রকাশিত হতে থাকে। তার ব্যত্যয় ঘটেনি এখানেও।বাবা রামতারণের থেকে উত্তরাধিকারে পাওয়া শৈল্পিক বোধই হয়তো ছোট্ট যামিনীকে টেনে নিয়ে যেত কুমোরদের ঠাকুর-গড়া দেখতে। ঘরের দেওয়ালে, মেঝেতে, হাতের কাছে যা পেতেন তাই দিয়েই আর পাঁচজন শিশুর মতো এঁকে ফেলতেন বাঘ, পাখি, হাতি, পুতুল। শিশুমনের সারল্য ও কল্পনার বিহারে কোনোদিনই বাধা পড়েনি। তাঁর পরিবারের মানুষরাও হয়তো তাঁর মনোগত ইচ্ছাকে বুঝতে পেরেই মাত্র ষোলো বছর বয়েসেই তাঁকে ভর্তি করান কলকাতার গভর্নমেন্ট আর্ট স্কুলে।



বেলিয়াতোড়ের মাঠে ঘাটে খেলে বেড়ানো দিশেহারা মন এবারে এসে পড়ল রঙ-তুলি-শিক্ষার কড়াকড়ির চৌহদ্দিতে। তখন থেকে যাত্রাপথ নিল এক নতুন বাঁক। আর্ট স্কুলে ইউরোপীয় ধাঁচেই চিত্রকলার একাডেমিক শিক্ষা গ্রহণ চলতে থাকে। চিত্রকলায় প্রাচ্য ও প্রতীচ্য - দু'ধরণেরই কলাকৌশলের সঙ্গে ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়তে থাকে এই নতুন শিক্ষার্থীর। ইউরোপীয় শিক্ষার স্বাভাবিক প্রভাব দেখা যায় যামিনী রায়ের প্রথম দিকের কাজের মধ্যে। পাশ্চাত্যের বিখ্যাত পোস্ট-ইম্প্রেশনিস্ট চিত্রশিল্পী পল সিজান, ভ্যান গ্যঁ, পাব্লো পিকাসো ও গগ্যাঁর প্রভাব রয়েছে যামিনী রায়ের একেবারে প্রথমদিকের কাজে-এ কথা অনেকেই মনে করেন। পোট্রেইট, ল্যান্ডস্কেপ, তৈলচিত্র এঁকেছেন একের পর এক। এবং সাবলীলভাবে ক্লাসিকাল ন্যূড ছবিও এঁকেছেন। নিজগুণে গভর্নমেন্ট আর্ট স্কুলের তৎকালীন অধ্যক্ষ অবন ঠাকুরের অন্যতম প্রিয় একজন ছাত্র হয়ে ওঠেন তিনি। গুরু অবনীন্দ্রনাথ কিন্তু পাকা জহুরীর মতোই কাঁচা হীরের পরখ করতে একটুও ভুল করেননি। আর হয়তো সেই কারণেই যামিনী রায়ের চিত্রশিল্পকে স্মরণ করে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মিত্র লিখতে পেরেছিলেন -


"পট যায় ঘুরে

অন্ধীকৃত রাত্রির শহরে,

পথে পথে সুগম্ভীর ছায়ার বহর,

ষড়যন্ত্র সঙ্কুল ত্রস্ত কবন্ধের ভীড়।

সুর-রিয়ালিষ্ট কবিতার দেশে।

পিকাসো বা যামিনী রায়ের আঁকা

পথঘাট গাছপালা বাড়ি।"



বিদেশি ঢঙে শিল্পচর্চা করতে করতে একসময় কেমন যেন হাঁপিয়ে উঠল তাঁর মন। হয়ত ভাবছিলেন, কি যেন নেই ছবিতে! হঠাৎ যেন খেয়াল করলেন তাঁর ছবিতে নেই তাঁর আশেপাশের মানুষগুলি!আশেপাশের মানুষের জীবন, তাদের যাপন, তাদের নিত্যনৈমিত্তিক কাজকর্ম, এইসবকিছু তখন তাঁর ছবিতে আসার পথ চাইল। শিকড়ের খোঁজে, মাটির টানে তাই তাঁকে ফিরে আসতে হল এই বঙ্গভূমির উজাড় করে দেওয়া সুধাপাত্রের কাছেই। তাঁর ছবিতে একেবারে প্রান্তিক গ্রামবাংলা থেকে উঠে এলেন দেশীয় সংস্কৃতি, আপন মানুষ, তাদের জীবনযাপন ও পরিচিত প্রকৃতি।


তখনকার দিনে বেশ পরিচিত ছিল কালীঘাটের পট। সেই কালীঘাটের চিত্রকলার ধাঁচকেই মাধ্যম করে যামিনী রায় আঁকতে লাগলেন। কালীঘাটের চিত্রকলার বিষয় ছিল নানা পৌরাণিক ও ধর্মীয় কাহিনি, পশুপাখি, এবং গ্রামের চিরায়ত চিত্র।কালীঘাট মন্দির সংলগ্ন অঞ্চলের শিল্পীরা নিজেদের রঙে-ঢঙে সেইসব চিত্র আঁকতেন। এই চিত্রের দ্বারা প্রভাবিত যামিনী রায় শুধু যে এই ধাঁচে আঁকলেন তাই নয়, এমনকি জন্মস্থান বেলিয়াতোড়, উড়িষ্যা, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ইত্যাদি অঞ্চলের শিল্পীদের তৈরি করা অনেক পট সংগ্রহও করেছিলেন তিনি। গ্রামের জীবন, লাঙল চালানো চাষী, কীর্তনীয়া, কিশোরী অথবা গৃহবধূ, বাঁশীবাদক, বাঘ, মাছ, বিড়াল, গাছপালাসহ গ্রাম্য প্রকৃতি বাস্তব থেকে সরাসরি উঠে এলো যামিনী রায়ের চিত্রচর্চায়। বেলিয়াতোড়ের আশেপাশেই বসবাসকারী সাঁওতাল আদিবাসীদেরকে নিয়ে চিত্রকলায় নতুন পরীক্ষানিরীক্ষা করেছেন। সাঁওতাল রমণীদের নাচ, সাঁওতালদের খেটে খাওয়া জীবনের ছবিও উঠে এসেছে ক্যানভাসে-খাতার পাতায়। তখন থেকেই তাঁর নিজস্ব শিল্পরীতিতে লোকশিল্পের সারল্য, বলিষ্ঠভাব, সমতলীয় রঙ, সুদৃঢ় রেখা উঠে আসতে শুরু করে।



কিছু শিল্পী এমনই নিজস্বতা প্রতিষ্ঠা করতে সফল হন, যে আলাদা করে কে এঁকেছেন, তা দর্শককে বলে দিতে হয়না। যামিনী রায়ও তাঁদেরই মধ্যে একজন, যাঁর কাজ দেখামাত্র চিত্রশিল্পানুরাগীরা বুঝতে পারেন যে, এ আঁকা কার। লম্বা বড় চোখ তাঁর ছবির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য, তা সে পুরুষের চোখ হোক, বা নারীর, বা পোষ মানা কোনো বিড়ালের। মোটা দাগের উদার টানে জীবন্ত হয়ে ওঠে সাঁওতাল পটচিত্রগুলি। রঙ নিয়েও নানা পরীক্ষানিরীক্ষা করেছেন। তখনকার দিনে রঙ একেবারেই সস্তা ছিল না। তাই ছবি আঁকতে গেলে, রঙ বা সাজসরঞ্জাম কিনতে অনেক নবীন চিত্রশিল্পীকেই ফাঁপরে পড়তে হত। এখানেও রঙের সহজলভ্যতার পথপ্রদর্শক হয়ে এগিয়ে আসেন তিনি। প্রাচীন চিত্রশিল্পীদের দেখানো পথ অনুসরণ করে খুব সহজলভ্য উপকরণ দিয়েই রঙ তৈরি করেন। বিভিন্ন রঙের মাটি, ভুষোকালি, খড়িমাটি, নানা গাছের বর্ণিল পাতার রস থেকে পাওয়া রঙ ব্যবহার করে ছবি আঁকেন। চৌহদ্দির মধ্যে পাওয়া শিক্ষা আর মাটির টানকে এইভাবেই তিনি মিশিয়ে দিতে পেরেছিলেন একে অপরের সঙ্গে।


যামিনী রায়ের অঙ্কিত বহুলপরিচিত চিত্রগুলির মধ্যে কয়েকটির নাম হল ‘সাঁওতাল মা ও ছেলে’, ‘গণেশ জননী’, ‘কীর্তন’, ‘তিন কন্যা’, ‘যিশুখ্রিষ্ট’, ‘কনে ও তার দুই সঙ্গী’ এবং ‘ক্রন্দসী মাছের সাথে দুই বেড়াল’। তাঁর চিত্র ক্রমশই দেশের মানুষদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ১৯৩৮ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়া স্ট্রিটে হয়েছিল যামিনী রায়ের ছবির প্রথম প্রদর্শনী। 'পরিচয়' পত্রিকায় তাঁর শিল্পকৃতির আলোচনাও প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে ভারতে আসা ইংরেজ সৈনিক ও অফিসাররা তাঁর ছবি দেখে, পছন্দ করে, ক্রয় করে নিজেদের সঙ্গে নিয়ে যান। এর ফলে তাঁর পরিচিতি আন্তর্জাতিক স্তরেও ছড়িয়ে পড়ে। গ্রাম-বাংলার পটুয়াদের শিল্পকর্মের মতো ধনী-দরিদ্র সবার কাছেই যাতে তাঁর চিত্র সহজলভ্য হয়, তার জন্য তিনি চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর চিত্রের গুণমুগ্ধ বুদ্ধদেব বসু তাঁকে স্মরণ করে লিখেছেন-

"আমরা সবাই প্রতিভারে করে পণ্য

ভাবালু আত্মকরুণায় আছি মগ্ন

আমাদের পাপের নিজের জীবনে জীর্ণ

করলে, যামিনী রায়

… পুঁথি ফেলে তুমি তাকালে আপন গোপন মর্মতলে

ফিরে গেলে তুমি মাটিতে, আকাশে, জলে

স্বপ্ন লালসে অলস আমরা তোমার পুণ্যবলে

ধন্য যামিনী রায়"।


কেবলমাত্র ছবি এঁকেই থেমে থাকেননি তিনি। রবীন্দ্রনাথের চিত্রশিল্প সম্পর্কে নিজস্ব মতামতও জানান। এই লেখাটি বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকার রবীন্দ্র সংখ্যায় (আষাঢ়, ১৩৪৮) প্রকাশিত হয়। এই ‘রবীন্দ্রনাথের ছবি’ শীর্ষক প্রবন্ধটি পড়ে চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ যামিনী রায়কে লিখেছেন-

"তোমাদের মতো গুণীর সাক্ষ্য আমার পক্ষে পরম আশ্বাসের বিষয়।… আমার স্বদেশের লোকেরা আমার চিত্রশিল্পকে যে ক্ষীণভাবে প্রশংসার আভাস দিয়ে থাকেন আমি সেজন্য তাদের দোষ দিই নে। আমি জানি চিত্র দর্শনের যে অভিজ্ঞতা থাকলে নিজের বিচারশক্তিকে কর্তৃত্বের সঙ্গে প্রচার করা যায়, আমাদের দেশে তার কোনো ভূমিকাই হয়নি। সুতরাং চিত্রসৃষ্টির গূঢ় তাৎপর্য বুঝতে পারে না বলেই মুরুব্বিয়ানা করে সমালোচকের আসন বিনা বিতর্কে অধিকার করে বসে। সেজন্য এদেশে আমাদের রচনা অনেক দিন পর্যন্ত অপরিচিত থাকবে। আমাদের পরিচয় জনতার বাইরে, তোমাদের নিভৃত অন্তরের মধ্যে। আমার সৌভাগ্য, বিদায় নেবার পূর্বেই নানা সংশয় এবং অবজ্ঞার ভিতরে আমি সেই স্বীকৃতি লাভ করে যেতে পারলুম, এর চেয়ে পুরস্কার এই আবৃতদৃষ্টির দেশে আর কিছু হতে পারে না। "

যামিনী রায়কে লেখা আরো একটি চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন-

"ছবি কী-এ প্রশ্নের উত্তর এই যে-সে একটি নিশ্চিত প্রত্যক্ষ অস্তিত্বের সাক্ষী। তার ঘোষণা যতই স্পষ্ট হয়, যতই সে হয় একান্ত, ততই সে হয় ভালো। তার ভালো-মন্দের আর কোনো যাচাই হতে পারে না। আর যা কিছু-সে অবান্তর-অর্থাৎ যদি সে কোনো নৈতিক বাণী আনে, তা উপরি দান।"

দুজন বিশ্ববন্দিত চিত্রশিল্পীর আধুনিক মনোভাবের আদানপ্রদানের সাক্ষ্য বয়ে চলে এই চিঠিগুলি।




সাহিত্যিক সুধীন্দ্রনাথ দত্ত যামিনী রায়কে নিয়ে ইংরেজিতে 'যামিনী রয় অ্যান্ড দি ট্র্যাডিশন অফ পেইন্টিং ইন বেঙ্গল' বইটি লেখেন। এছাড়াও তিনি ইংরেজিতেই একটি প্রবন্ধও লিখেছিলেন যামিনী রায়কে নিয়ে। সেই প্রবন্ধটি সাহিত্যিক বিষ্ণু দে বঙ্গানুবাদ করে পত্রিকায় ছাপার জন্য পীড়াপীড়ি করতেন সুধীন্দ্রনাথকে। মান্না দে'র বিখ্যাত ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’ গানের বেশ পরিচিত দুটি লাইন "কখনো বিষ্ণু দে, কখনো যামিনী রায় এই নিয়ে তর্কটা চলত"। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিষ্ণু দে ও যামিনী রায়ের সখ্যতা ছিল বেশ ভালোই। যামিনী রায়ের বাগাবাজারের আনন্দ চ্যাটার্জী লেনের বাড়িতে অজয় সেনের সাথে প্রথমবার চিত্র প্রদর্শনী দেখতে গিয়েছিলেন বিষ্ণু দে। তারপর থেকেই তিনি ছিলেন যামিনীর নিয়মিত দর্শক। যামিনীও প্রায়শই আড্ডা দিতে যেতেন বিষ্ণু দে-র দক্ষিণ কলকাতার বাড়িতে। সেই আড্ডায় কখনো কখনো সঙ্গী হতেন সুধীন্দ্রনাথও। বিষ্ণুর বইয়ের প্রচ্ছদ এঁকেছেন যামিনী। চিঠি চালাচালিও দিব্যি চলত দুজনের। ‘তাই তো তোমাকে চাই’ কবিতায় যামিনী রায়কে স্মরণ করে বিষ্ণু দে লিখেছেন-

"একটিই ছবি দেখি, রঙের রেখার দুর্নিবার একটি বিস্তার

মুগ্ধ হয়ে দেখি এই কয়দিন, অথচ যামিনীদার

প্রত্যহের আসনের এ শুধু একটি নির্মাণ একটি প্রকাশ

হাজার হাজার রূপধ্যানের মালার একটি পলক

যেখানে অন্তত গোটা দেশ আর কাল, একখানি আবির্ভাব"।


১৯৩৪ সালে যামিনী রায় ভাইসরয় স্বর্ণপদক পান। ১৯৫৫ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত করে। সেই বছরই ললিতকলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন তিনি। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে। জন্মস্থান বেলিয়াতোড়ে তাঁর সম্মাননার্থে গড়ে ওঠে যামিনী রায় কলেজ। সারা বিশ্বে একজন সার্থক বাঙালি চিত্রশিল্পী হিসেবে নিজের অসামান্য সৃষ্টির গুণগুঞ্জন ছড়িয়ে দিয়ে ১৯৭২ সালের ২৪ শে এপ্রিল তিনি পরলোকগমন করেন। তাঁর চিত্রকলা চিত্রশিল্পের অনুরাগীদের কাছে এক বিরাট বিস্ময় হিসেবে সাক্ষর রেখেছে। আজও আমরা এই 'মাটির রঙে মাটির কাছাকাছি' থাকা চিত্রশিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নত করি, তাঁর সৃষ্টিকে আমরা নিজেদের হৃদয়ে, মননে, মনীষায় ও আলোচনায় স্থান না দিয়ে থাকতে পারি না।




Make a Donation

A/C: 40910100004585

IFSC Code:BARB0BUDGEB

Bank Name: Bank Of Baroda

Name in Bank: BHAAN

 
 
 

Comments


Subscribe to Site

Thanks for submitting!

© 2020 Bhaan Theatre | Designed by Capturegraphics.in
bottom of page